Bajus অনুযায়ী আজকের স্বর্ণের দাম কত বাংলাদেশে তা জানতে পারবেন এখানে। আপনি যদি ২০২৬ সালে এসে যে কোনো ধরনের (১৮/২১/২২) ক্যারেটের স্বর্ণ অথবা সনাতন স্বর্ণ অলঙ্কার তৈরি বা সোনার বাজারে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ করার কথা ভাবেন তবে প্রতিদিনের আসল বাজারদর সম্পর্কে সবকিছু জানতে পারবেন এখানে। নিচের তালিকা থেকে দেখে নিন, আজকের Gold Price In Bangladesh
বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন বা (BAJUS – বাজুস) হলো এমন একটি সংগঠন যা সাধারণত সোনার দাম নির্ধারণ করে থাকে আর তাই স্বর্ণ কিনতে হলে বা বিক্রি করতে হলে অবশ্যই আপনাকে আগে বাজুসের নির্ধারিত মূল্য সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে জানতে হবে অন্যথায় আপনি প্রতারণার স্বীকার হতে পারেন। তাই এই আর্টিকেলটি হবে আপনাদের জন্য সবচেয়ে সহজ একটি গাইডলাইন যা পড়ে আপনারা স্বর্ণ কেনা বেচা সম্পর্কে সচেতন হওয়ার পাশাপাশি স্বর্ণ সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য বিস্তারিতভাবে খুব সহজেই জানতে পারবেন। তাহলে চলুন জেনে নেয়া যাক, স্বর্ণ ক্রয় বা বিক্রয়ের আগে কী কী বিষয় সম্পর্কে সামগ্রিক জ্ঞান ও সচেতন থাকা জরুরী। Bajus gold price অনুযায়ী আজকের স্বর্ণের দাম জানুন। LIVE Gold Rate
আজকে স্বর্ণের দাম কত বাংলাদেশে
আজকের স্বর্ণের দাম কত বাংলাদেশে তা বাজুস বা বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন নিয়মিত সভা করে অফিশিয়ালি ঘোষণা করে।আজকের দিনের বাজারদর অনুযায়ী বাংলাদেশে ভ্যাটসহ স্বর্ণের সর্বশেষ অফিশিয়াল মূল্য তালিকা নিচে দেওয়া হলো। বাজুস স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ অর্থাৎ পিওর গোল্ডের দাম ওঠানামার ওপর ভিত্তি করে নিয়মিত এই দাম নির্ধারণ করে থাকে। চলুন তবে, সোনার ভরি ও গ্রাম অনুযায়ী আজকে মূল্য তালিকা দেখে নেই। LIVE Gold Rate
স্বর্ণের মূল্য তালিকা (ভরি ও গ্রাম)
আপনি যদি সোনা কিনতে চান, গহনা বানাতে চান অথবা বিনিয়োগের জন্য স্বর্ণ কিনতে চান, তাহলে আজকের স্বর্ণের দাম জানার কোনো বিকল্প নেই। মনে রাখবেন, স্বর্ণের দাম সবসময় আন্তর্জাতিক বাজার, ডলারের রেট, আমদানি খরচ এবং বাজুসের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নির্ধারণ হয় সুতরাং স্বর্ণ সংক্রান্ত যে কোনো ধরনের পদক্ষেপ নেয়ার আগে আপনাকে এসব বিষয় সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে। আপনাদের এই জটিলতা সমাধান করতেই আজকের এই গাইডলাইন যা থেকে আপনি বিস্তারিতভাবে জানতে পারবেন আজকের বাজারে সকল প্রকার স্বর্ণের দাম, যেমনঃ ১৮ ক্যারেট/ ২১ ক্যারেট/ ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম আজকের বাজার অনুযায়ী কত? শুধু তাই নয়, নিচে উল্লেখ করা তালিকাটি এমন সয়ংক্রিয়ভাবে তৈরী যে এটি নিয়মিতভাবে নিজে থেকেই পরিবর্তনশীল অর্থাৎ, বাজারে স্বর্ণের দাম পরিবর্তন হওয়ার সাথে সাথে বাজুস অনুযায়ী এই তালিকায় সেই মূল্য আপডেট হয়ে যাবে। সুতরাং, আপনি যদি একজন স্বর্ণ ব্যবসায়ী হয়ে থাকেন তবে এই কন্টেন্ট কিংবা আর্টিকেলটি হতে পারে আপনার নিত্যদিনের সহায়ক। প্রতিদিনের নিয়মিত আপডেট জানতে নিচের তালিকাটি ভালোভাবে ফলো করুন আজকের Gold Price In Bangladesh বা LIVE Gold Rate
বর্তমানে বাংলাদেশে ২২ ক্যারেট সোনার দাম কত ?
আপনি জানেন কি, বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হয় ২২ ক্যারেট সোনা। বিশেষ করে, গহনা তৈরি করার জন্য এই ক্যারেট সবচেয়ে জনপ্রিয়। তাই অনেকেই প্রতিদিন সার্চ করেন, আজকে ২২ ক্যারেট সোনার দাম কত। আজকের আর্টিকেলে আমরা গ্রাম, ভরি এবং অন্যান্য ইউনিট অনুযায়ী স্বর্ণের বিস্তারিত তথ্য জানব যা আমাদের স্বর্ণ ক্রয়/বিক্রয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে। Bajus gold price অনুযায়ী আজকের ( স্বর্ণের দাম জানুন।
গুরুত্বপূর্ণ নোট: বাজুস নির্ধারিত Gold Price In Bangladesh এই মূল্যের সাথে জুয়েলারি দোকানগুলো ডিজাইন এবং গহনার ধরন অনুযায়ী নূন্যতম মজুরি (মেকিং চার্জ) যুক্ত করবে।
মনে রাখবেন, আইন অনুযায়ী সরকারি ভ্যাট এই মূল্যের ভেতরেই অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, তাই আলাদা করে অতিরিক্ত ভ্যাট দাবি করার সুযোগ নেই।

স্বর্ণের বিভিন্ন ক্যারেট (Karat) এবং এর বিস্তারিত বিশ্লেষণ
২২ ক্যারেট স্বর্ণ (22 Karat Gold) হলো অলঙ্কার তৈরির জন্য সবচেয়ে উৎকৃষ্ট এবং জনপ্রিয় মানের সোনা। এতে ৯১.৬% খাঁটি বা বিশুদ্ধ সোনা থাকে এবং বাকি ৮.৪% তামা, রুপা বা দস্তার মতো অন্যান্য ধাতু মেশানো হয়। ১০০% খাঁটি সোনা (২৪ ক্যারেট) অত্যন্ত নরম হওয়ায় তা দিয়ে গহনা বানানো যায় না, তাই সেটিকে শক্ত ও গহনা তৈরির উপযোগী করতে এই সামান্য মিশ্রণটি দিতে হয়। আন্তর্জাতিক বাজারে এর আসল হলমার্ক সিল হলো ‘916’।
মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ:
-
সর্বোচ্চ উজ্জ্বলতা ও আভিজাত্য: খাঁটি সোনার পরিমাণ সবচেয়ে বেশি থাকায় ২২ ক্যারেট স্বর্ণের রং হয় সবচেয়ে আকর্ষণীয় ও উজ্জ্বল সোনালী হলুদ। এর রাজকীয় লুক গহনার আভিজাত্য বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
-
বিনিয়োগের জন্য সেরা: বাংলাদেশে অলঙ্কার হিসেবে সোনা কিনে রাখার ক্ষেত্রে ২২ ক্যারেট প্রথম পছন্দ। এর বিশুদ্ধতা বেশি হওয়ায় ভবিষ্যৎ পুনঃবিক্রয় মূল্য (Resale Value) বা এক্সচেঞ্জ ভ্যালু সবচেয়ে ভালো পাওয়া যায়।
-
সূক্ষ্ম নকশার কাজ: নিখুঁত ফিনিশিং এবং অত্যন্ত সুক্ষ্ম ও জটিল নকশার আধুনিক বা ভারী গহনা তৈরির জন্য ২২ ক্যারেট স্বর্ণ কারিগরদের প্রথম পছন্দ।
-
যত্ন ও ব্যবহার: এটি ২১ বা ১৮ ক্যারেটের তুলনায় কিছুটা নরম ও নমনীয়। তাই খুব ভারী কাজ বা প্রতিদিনের রূঢ় ব্যবহারের ক্ষেত্রে এটি সামান্য স্ক্র্যাচ বা বেঁকে যাওয়ার ঝুঁকিতে থাকে, যার জন্য একটু বাড়তি যত্নের প্রয়োজন হয়।
সংক্ষেপে: আপনি যদি বিয়ের গহনা, কোনো বিশেষ উৎসবের অলঙ্কার কিংবা দীর্ঘমেয়াদি ও নিরাপদ আর্থিক বিনিয়োগের কথা ভেবে সোনা কিনতে চান, তবে সর্বোচ্চ বিশুদ্ধতার ২২ ক্যারেট স্বর্ণ আপনার জন্য সবচেয়ে সেরা ও প্রিমিয়াম পছন্দ।নিচে ২২ ক্যারেটের জন্য Bajus gold price অনুযায়ী আজকের স্বর্ণের দাম উল্লেখ করা হলোঃ
…
আমরা যখন গহনা কিনতে যাই, তখন ২২ ক্যারেট, ২১ ক্যারেট বা ১৮ ক্যারেট শব্দগুলো প্রায়ই শুনি। এই ক্যারেট মূলত স্বর্ণের বিশুদ্ধতা (Purity) এবং মান নির্দেশ করে। নিচে এগুলোর বিস্তারিত পার্থক্য আলোচনা করা হলো Gold Price In Bangladesh:
২২ ক্যারেট স্বর্ণ (22 Karat Gold)
২২ক্যারেট হলো গহনা তৈরির জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং উৎকৃষ্ট মানের স্বর্ণ। চলুন দেখে নেয়া যাক, ২২ ক্যারেট সোনা চেনার উপায় কি এবং এটি কতটা বিশুদ্ধঃ
-
বিশুদ্ধতা: এতে ৯১.৬% বিশুদ্ধ সোনা থাকে এবং বাকি ৮.৪% অন্যান্য ধাতু (যেমন তামা, রুপা বা দস্তা) মেশানো হয়। ১০০% বিশুদ্ধ সোনা অত্যন্ত নরম হওয়ায় তা দিয়ে সরাসরি টেকসই গহনা বানানো যায় না।
-
চেনার উপায়: ২২ ক্যারেট গহনার গায়ে সাধারণত আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী ‘916’ হলমার্ক খোদাই করা থাকে।
-
ব্যবহার: বিয়ের গহনা, ভারী নেকলেস, চেইন এবং আংটি তৈরিতে এর ব্যবহার সবচেয়ে বেশি।
নিচের ক্যালকুলেটর দিয়ে ২২ ক্যারেট সোনার ক্ষেত্রে ওজন ও মূল্য হিসাব করুন খুব সহজেইঃ
২১ ক্যারেট স্বর্ণ (21 Karat Gold)
২১ ক্যারেট স্বর্ণ (21 Karat Gold) হলো এমন এক ধরনের সোনা, যাতে ৮৭.৫% খাঁটি সোনা থাকে এবং বাকি ১২.৫% তামা, রুপা বা দস্তার মতো অন্যান্য শক্ত ধাতু মেশানো হয়। ১০০% খাঁটি সোনা (২৪ ক্যারেট) অত্যন্ত নরম হওয়ায় গহনা মজবুত করার জন্য এই মিশ্রণ প্রয়োজন। আন্তর্জাতিক বাজারে এর হলমার্ক সিল হলো ‘875’।
মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ:
-
চমৎকার স্থায়িত্ব: ২২ ক্যারেটের চেয়ে এতে শক্ত ধাতুর পরিমাণ বেশি থাকায় এটি বেশ মজবুত হয়। ফলে সহজে স্ক্র্যাচ পড়ে না এবং দীর্ঘকাল ব্যবহার করা যায়।
-
ঐতিহ্যবাহী গহনার জন্য সেরা: বাংলাদেশে সনাতন ও ভারী নকশার গহনা (যেমন- বিয়ের অলঙ্কার, চেইন, সীতাহার ও ভারী চুড়ি) তৈরিতে ২১ ক্যারেট স্বর্ণের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে।
-
উজ্জ্বল রং: খাঁটি সোনার পরিমাণ বেশি থাকায় এর মধ্যে একটি সুন্দর ও আকর্ষণীয় সোনালী ভাব বজায় থাকে, যা গহনার সৌন্দর্য বাড়িয়ে তোলে।
-
মধ্যবিত্তের পছন্দের বাজেট: এটি ২২ ক্যারেটের চেয়ে দামে সাশ্রয়ী অথচ ১৮ ক্যারেটের চেয়ে বেশি খাঁটি। ফলে স্থায়িত্ব, উজ্জ্বলতা ও বাজেটের নিখুঁত ভারসাম্যের কারণে এটি বাংলাদেশে অত্যন্ত জনপ্রিয়।
সংক্ষেপে: আপনি যদি তুলনামূলক সাশ্রয়ী দামে দীর্ঘস্থায়ী, উজ্জ্বল এবং ভারী নকশার ঐতিহ্যবাহী ভারী নকশার গহনা একটু সাশ্রয়ী বাজেটের মধ্যে কিনতে চান, তবে ২১ ক্যারেট স্বর্ণ আপনার জন্য সবচেয়ে সেরা পছন্দ।
চলুন আগে নিচের টেবিল থেকে দেখে নেয়া যাক ২১ ক্যারেট সোনার বর্তমান মুল্য এবং তার নিচে দেয়া হবে ২১ ক্যারেট সোনার বিশুদ্ধতা, চেনার উপায় ও ব্যবহার সম্পর্কিত যাবতীয় বিস্তারিত তথ্যঃ
…
২১ ক্যারেট সোনার দাম কত
২১ ক্যারেট সোনা অনেকের কাছে জনপ্রিয় কারণ এটি মান এবং দামের মধ্যে একটি ভারসাম্য তৈরি করে। যারা তুলনামূলক কম বাজেটে ভালো মানের সোনা চান, তারা প্রায়ই এই ক্যারেট পছন্দ করেন। এই অংশে যাওয়ার আগে মনে রাখুন, বর্তমান স্বর্ণের দাম কত জানতে হলে ২১ ক্যারেট রেটও জানা জরুরি। আপনার সুবিধার্থে ২১ ক্যারেট সোনার জন্য Bajus gold price অনুযায়ী আজকের স্বর্ণের দাম অর্থাৎ মূল্যতালিকা নিচে দেওয়া হলো:
উপরে যে তথ্যটি দেয়া হয়েছে সেটি হলো ২১ ক্যারেট স্বর্ণ ক্রয় করার ক্ষেত্রে আপনাকে যত টাকা খরচ করতে হবে তার একটি পরিমাণ আর এখানে আপনি যদি ভালো করে লক্ষ্য করেন তাহলে দেখতে পারবেন, ২২ ক্যারেট সোনার দাম ২১ ক্যারেট সোনার দামের তুলনায় অনেকটাই কম।Gold Price In Bangladesh
-
বিশুদ্ধতা: ২১ ক্যারেট স্বর্ণে ৮৭.৫% বিশুদ্ধ সোনা থাকে এবং বাকি ১২.৫% অন্যান্য সংকর ধাতু থাকে।
-
চেনার উপায়: এর হলমার্ক সাইন বা সিল হলো ‘875’।
-
ব্যবহার: মনে রাখবেন, ২.২১ ক্যারেটের সোনা, ২২ ক্যারেট সোনার চেয়ে সামান্য কম উজ্জ্বল হলেও বেশ শক্ত এবং টেকসই হয়। সনাতন ও ঐতিহ্যবাহী ভারী নকশার গহনা তৈরিতে বাংলাদেশে ২১ ক্যারেটের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। এর দাম ২২ ক্যারেটের চেয়ে কিছুটা কম হওয়ায় এটি মধ্যবিত্তের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে থাকে।
নিচের ক্যালকুলেটর দিয়ে ২১ ক্যারেট সোনার ক্ষেত্রে ওজন ও মূল্য হিসাব করুন খুব সহজেইঃ
১৮ ক্যারেট স্বর্ণ (18 Karat Gold)
১৮ ক্যারেট স্বর্ণ (18 Karat Gold) হলো এমন এক ধরনের সোনা, যাতে ৭৫% খাঁটি সোনা থাকে এবং বাকি ২৫% তামা, রুপা বা দস্তার মতো শক্ত ধাতু মেশানো হয়। খাঁটি সোনা (২৪ ক্যারেট) অত্যন্ত নরম হওয়ায় গহনা টেকসই করার জন্য এই মিশ্রণ জরুরি। আন্তর্জাতিক বাজারে এর হলমার্ক সিল হলো ‘750’।
মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ:
-
উচ্চ স্থায়িত্ব: এটি ২২ বা ২১ ক্যারেটের চেয়ে অনেক বেশি শক্ত ও মজবুত, তাই সহজে স্ক্র্যাচ পড়ে না বা বেঁকে যায় না।
-
ডায়মন্ডের জন্য সেরা: হিরে বা দামি পাথরকে শক্তভাবে ধরে রাখার জন্য মজবুত কাঠামোর প্রয়োজন হয়, তাই বিশ্বজুড়ে ডায়মন্ডের গহনা মূলত ১৮ ক্যারেট দিয়েই তৈরি হয়।
-
রঙের বৈচিত্র্য: ধাতুর মিশ্রণ ভেদে এটি দিয়ে আকর্ষণীয় রোজ গোল্ড (গোলাপি আভা) বা হোয়াইট গোল্ড (উজ্জ্বল সাদা) গহনা বানানো যায়।
-
সাশ্রয়ী: খাঁটি সোনার পরিমাণ কম থাকায় ২২ বা ২১ ক্যারেটের তুলনায় এর দাম বেশ কম ও বাজেট-ফ্রেন্ডলি।
সংক্ষেপে: প্রতিদিন ব্যবহারের মজবুত গহনা, আধুনিক ডিজাইনের আংটি কিংবা ডায়মন্ড বা পাথরের অলঙ্কার কেনার জন্য ১৮ ক্যারেট স্বর্ণ সবচেয়ে সেরা এবং নিরাপদ পছন্দ।
১৮ ক্যারেট সোনার দাম কত
১৮ ক্যারেট সোনা সাধারণত কম বাজেটের জন্য ব্যবহার করা হয়। অনেকেই ফ্যাশন জুয়েলারি বা হালকা ডিজাইনের জন্য এই সোনা ব্যবহার করেন। এই অংশে যাওয়ার আগে জেনে রাখুন, আজকে স্বর্ণের দাম কত বা বর্তমান স্বর্ণের দাম কত জানতে চাইলে ১৮ ক্যারেট রেটও গুরুত্বপূর্ণ। আপনার সুবিধার্থে ১৮ ক্যারেট সোনার জন্য Bajus gold price অনুযায়ী আজকের স্বর্ণের দাম অর্থাৎ (Gold Price In Bangladesh) এর মূল্যতালিকা নিচে দেওয়া হলোঃ
উপরে যে তথ্যটি দেয়া হয়েছে সেটি হলো 18 ক্যারেট সোনা ক্রয় করার ক্ষেত্রে আপনাকে যত টাকা খরচ করতে হবে তার একটি পরিমাপ।
-
বিশুদ্ধতা: ১৮ ক্যারেট স্বর্ণে বিশুদ্ধ সোনার পরিমাণ ৭৫%। বাকি ২৫% অন্যান্য ধাতু হওয়ায় এই স্বর্ণের স্থায়িত্ব অনেক বেশি হয় এবং এটি সহজে বেঁকে বা ভেঙে যায় না।
-
চেনার উপায়: এর গায়ের হলমার্ক সাইন ‘750’।
-
ব্যবহার: সাধারণত ডায়মন্ড বা হিরের গহনা তৈরিতে এবং নানা রঙের মূল্যবান পাথরের ভারী কাজ করা আধুনিক ও কাস্টমাইজড ডিজাইনের অর্নামেন্টসে ১৮ ক্যারেট সোনা ব্যবহার করা হয়। হোয়াইট গোল্ড বা রোজ গোল্ড তৈরিতেও এর ব্যবহার রয়েছে।
নিচের ক্যালকুলেটর দিয়ে ১৮ ক্যারেট সোনার ক্ষেত্রে ওজন ও মূল্য হিসাব করুন খুব সহজেইঃ
সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ (Traditional Gold)
সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ (Traditional Gold) হলো এমন এক ধরনের সোনা, যার বিশুদ্ধতার কোনো নির্দিষ্ট ক্যারেট (যেমন—২২, ২১ বা ১৮ ক্যারেট) বা ল্যাব-সার্টিফাইড পরিমাপ থাকে না। সহজ কথায়, এটি হলো বহু পুরোনো বা বংশপরম্পরায় চলে আসা অলঙ্কার গলিয়ে তৈরি করা সোনা। আগেকার দিনে আধুনিক হলমার্কিং বা বৈজ্ঞানিক উপায়ে সোনার বিশুদ্ধতা মাপার প্রযুক্তি ছিল না, তখন কারিগররা নিজস্ব সনাতন পদ্ধতিতে সোনা তৈরি করতেন। আন্তর্জাতিক বাজারে এর নির্দিষ্ট কোনো সিল বা হলমার্ক সাইন থাকে না। যে সোনাকে আমরা সাধারণ ভাষায় ‘পুরানো সোনা‘ বা ‘রিসাইকেলড সোনা‘ বলে থাকি, সেটিই মূলতঃ সনাতন পদ্ধতির সোনা।
মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ
-
পরিবর্তনশীল বিশুদ্ধতা: সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণে খাঁটি সোনার পরিমাণ সাধারণত ৬০% থেকে ৭০% বা তার কম-বেশি হতে পারে। এর নিখুঁত মান জানতে এসিড টেস্ট বা ল্যাব টেস্টের মাধ্যমে পরীক্ষা করতে হয়।
-
কম দাম: ক্যারেট গোল্ডের (২২ বা ২১ ক্যারেট) তুলনায় বাজারে সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের ভরি প্রতি দাম সবচেয়ে কম হয়ে থাকে।
-
রঙের তারতম্য: এতে তামা বা অন্যান্য ধাতুর মিশ্রণ বেশি বা অনিয়মিত থাকায় এর রঙ ক্যারেট গোল্ডের মতো অতটা উজ্জ্বল সোনালী হলুদ হয় না; অনেক সময় কিছুটা কালচে বা অতিরিক্ত তামাটে দেখায়।
-
পুনঃবিক্রয় মূল্য (Resale Value): এই সোনা যখন জুয়েলারি দোকানে বিক্রি বা এক্সচেঞ্জ করতে যাওয়া হয়, তখন দোকানদাররা এর বিশুদ্ধতা পরীক্ষা করে বেশ বড় অঙ্কের অবচয় বা গলানোর খরচ (বাদ দিয়ে) মূল্য নির্ধারণ করে।
সংক্ষেপে: সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ সাধারণত নতুন কোনো গহনা তৈরির জন্য সরাসরি ব্যবহার করা হয় না। তবে কেউ যদি পুরোনো গহনা বিক্রি করতে চান বা কম বাজেটে সোনা কিনে রিফাইন (শোধন) করে নতুন ক্যারেটের গহনা বানাতে চান, তবেই এই স্বর্ণের হিসাব সামনে আসে।এই সোনার বিশুদ্ধতা ও ব্যবহার সম্পর্কে নিচে দেয়া হলোঃ
-
বিশুদ্ধতা: এই স্বর্ণের কোনো নির্দিষ্ট ক্যারেট বা ল্যাব-সার্টিফাইড ( ল্যাবে পরিক্ষীত) বিশুদ্ধতার পরিমাপ থাকে না। সাধারণত রূপান্তর বা গলানোর পর এসিড টেস্টের মাধ্যমে এর মান পরীক্ষা করা হয়।
-
ব্যবহার: প্রাচীন আমলের গহনা বা বংশপরম্পরায় চলে আসা অলঙ্কার এই ক্যাটাগরিতে পড়ে। বাজারে এর দাম ক্যারেট গোল্ডের চেয়ে অনেক কম এবং এটি দিয়ে নতুন গহনা তৈরি করতে গেলে রিফাইন বা শোধন করে নিতে হয়।
সংক্ষিপ্ত বার্তাঃ ২২, ২১ বা ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের গায়ে যেমন আন্তর্জাতিক ল্যাব-সার্টিফাইড সিল (যেমন- 916 বা 875) খোদাই করা থাকে, সনাতন স্বর্ণে তেমন কোনো হলমার্ক বা অফিশিয়াল সিল থাকে না। বিক্রেতা মুখে যা দাবি করবেন, আপনাকে তা-ই বিশ্বাস করতে হবে। ফলে, না বুঝে কিনলে খাঁটি সোনার নামে সস্তা ধাতু কিনে ফেলার ঝুঁকি থাকে। এই ধরনের স্বর্ণ ক্রয় বা বিক্রয়ের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে সচেতন থাকুন।

সনাতন পদ্ধতিতে স্বর্ণের দাম আজকের বাজার
বাংলাদেশে এখনো অনেক মানুষ সনাতন পদ্ধতির সোনা ব্যবহার করেন। বিশেষ করে পুরনো গহনা বা ঐতিহ্যবাহী ডিজাইনের জন্য এই স্বর্ণ ব্যবহার করা হয়। এখন আপনি যদি জানতে চান সনাতন পদ্ধতির সোনার আজকের দাম কত, তাহলে টেবিল দেখে নিন এক নজরে:
উপরে যে তথ্যটি দেয়া হয়েছে সেটি হলো সনাতন পদ্ধতিতে স্বর্ণ ক্রয় করার ক্ষেত্রে আপনাকে যত টাকা খরচ করতে হবে তার একটি পরিমাপ।
বাংলাদেশে স্বর্ণের পরিমাপ পদ্ধতি: ভরি, গ্রাম, আনা ও রতি
বাংলাদেশে ঐতিহ্যগতভাবে ব্রিটিশ আমল থেকে স্বর্ণের ওজন ‘ভরি’ হিসেবে হিসাব করা হলেও আন্তর্জাতিক বাজারে এটি ‘গ্রাম’ বা ‘ট্রয় আউন্স’ (Troy Ounce) হিসেবে মাপা হয়। হিসাবের সুবিধার্থে নিচে সম্পূর্ণ কনভার্সন গাইড দেওয়া হলো:
মূল রূপান্তর সূত্র:
-
১ ভরি = ১১.৬৬৪ গ্রাম (আন্তর্জাতিক মান)
-
১ ভরি = ১৬ আনা
-
১ আনা = ৬ রতি
-
১ ভরি = ৯৬ রতি
-
১ গ্রাম = ০.০৮৫৮ ভরি
আনা এবং রতির হিসাবে ১ ভরির বণ্টন টেবিল:
| ওজন একক | ভরির অংশ | গ্রামে রূপান্তর |
| ১ ভরি | ১০০% (১৬ আনা) | ১১.৬৬৪ গ্রাম |
| ৮ আনা (আধা ভরি) | ৫০% (৮ আনা) | ৫.৮৩২ গ্রাম |
| ৪ আনা (এক পোয়া) | ২৫% (৪ আনা) | ২.৯১৬ গ্রাম |
| ১ আনা | ৬.২৫% (১ আনা) | ০.৭২৯ গ্রাম |
| ১ রতি | ১.০৪% (১/৬ আনা) | ০.১২১৫ গ্রাম |
স্বর্ণের ফাইনাল প্রাইস ক্যালকুলেটর: গহনা কেনার আসল হিসাব
দোকান থেকে সোনা কিনতে গিয়ে অনেক সময় আপনারা বিভ্রান্ত হন কারণ বাজুস যে অফিশিয়াল দাম ঘোষণা করে, জুয়েলার্সরা অলঙ্কার বিক্রির সময় তার চেয়ে বেশি দাম হিসাব করে। কিন্তু এই সমস্যা আর নয়। এখন থেকে কোনোরকম ঠকবাজি ছাড়া গহনার আসল দাম বের করার একটি বাস্তব উদাহরণ থেকে আরও সহজেই বুঝে নিন:
ধরা যাক, আপনি ১ ভরি ২ আনা ওজনের একটি ২২ ক্যারেটের গলার চেইন কিনতে চাচ্ছেন। এখন আপনাকে কী পরিমান অর্থ গুনতে হবে তার হিসেবটি করার জন্য যা যা করবেন তা নিম্নরূপঃ
-
ওজন রূপান্তর: ১ ভরি ২ আনা = $১ + (২ \div ১৬) = ১.১২৫$ ভরি।
-
স্বর্ণের আসল দাম: প্রথমেই জানতে হবে, ২২ ক্যারেটের আজকের ভরি কত করে ? ধরা যাক, ২,২৪,১৮২ টাকা। তাহলে ১.১২৫ ভরির দাম হবে, $২,২৪,১৮২ \times ১.১২৫ = ২,৫২,২০৪.৭৫$ টাকা।
-
মজুরি বা মেকিং চার্জ: দোকানদার প্রতি ভরিতে নকশা ভেদে ৪,০০০ টাকা মজুরি নির্ধারণ করলো। তাহলে মোট মজুরি: $৪,০০০ \times ১.১২৫ = ৪,৫০০$ টাকা।
-
চূড়ান্ত পরিশোধযোগ্য মূল্য: $২,৫২,২০৪.৭৫ + ৪,৫০০ = ২,৫৬,৭০৪.৭৫$ টাকা।
এই চারটি বিষয় মাথায় রেখে পরিষ্কারভাবে হিসেব করতে পারলেই গহনা কিংবা স্বর্ণ কেনার ক্ষেত্রে কেউ আপনাকে ঠকাতে পারবেনা। তাই স্বর্ণ কেনার সময় এই সহজ হিসেবটি সবসময় খেয়াল রাখবেন।
ভ্যাট সংক্রান্ত সতর্কতা: খেয়াল রাখবেন, বাজুসের বর্তমান নিয়মানুযায়ী ঘোষিত মূল্যের মধ্যেই সরকারি ৫% ভ্যাট সমন্বয় করা থাকে। কোনো বিক্রেতা যদি মূল বিলের ওপর পুনরায় অতিরিক্ত ৫% ভ্যাট যোগ করতে চায়, তবে বাজুসের নীতিমালা অনুযায়ী চ্যালেঞ্জ করুন এবং পাকা রসিদ দাবি করুন।
স্বর্ণ কেনার সময় ক্রেতাদের জন্য ১০টি জরুরি গাইডলাইন
Bajus Gold Price অনুযায়ী আজকের স্বর্ণের দাম কত বাংলাদেশে তা মুদ্রাস্ফীতি এবং ডলারের বিনিময় হারের কারণে সাম্প্রতিক সময়ে বেশ বৃদ্ধি পেয়েছে।আপনারা জানেন, স্বর্ণ একটি দীর্ঘমেয়াদি এবং বড় অংকের আর্থিক বিনিয়োগ আর তাই যেকোনো রকম প্রতারণা ও আর্থিক ক্ষতি থেকে বাঁচতে নিচের উল্লেখিত বিষয়গুলো সঠিকভাবে মেনে চলুন:
-
লাইভ রেট চেক করুন: দোকানে যাওয়ার ঠিক আগ মুহূর্তে বাজুসের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যম থেকে আজকের লাইভ রেটটি স্ক্রিনশট দিয়ে রাখুন।
এই আরটিকেলেই শেষের দিকে বাজুসের অফিশিয়াল সাইটের লিংক দেয়া আছে, সেখান থেকে লাইভ রেট সম্পর্কে জানার আগে পুরো আর্টিকেল ভালোভাবে পড়ুন যেনো আপনি কোনোভাবেই কোনো ভুল না করেন। -
ক্যাড বা লেজার হলমার্কিং (Hallmark) নিশ্চিত করুন: আপনি জানেন কি,গহনার ভেতরের অংশে সুক্ষ্মভাবে ক্যারেটের সিল (যেমন- 22K বা 916) এবং বাজুসের অনুমোদিত ল্যাব টেস্টের হলমার্ক চিহ্ন দেয়া থাকে। সুতরাং, স্বর্ণ কেনার আগে অবশ্যই আতশ কাচ দিয়ে হলমার্কিং দেখে নিন।
-
পাকা রসিদ বা ক্যাশ মেমো সংগ্রহ: রসিদে স্বর্ণের নিখুঁত ওজন (গ্রাম এবং ভরি আলাদাভাবে), ক্যারেট এবং আজকের অফিশিয়াল রেট পরিষ্কারভাবে আলাদা লাইনে লেখা আছে কিনা নিশ্চিত করুন এবং এই রসিদটি খুবই যত্ন সহকারে রাখুন যেনো পরবর্তী সময় বিক্রি বা সেই সংক্রান্ত যেকোনো জটিলতায় আপনি প্রুফ অফ এভিডেন্স মানে প্রমান হিসেবে সেই কাগজ দেখাতে পারেন।
-
মজুরি নিয়ে দরদাম করুন: স্বর্ণের অফিশিয়াল দাম ফিক্সড হলেও মেকিং চার্জ বা মজুরি কিন্তু দোকানদারদের হাতে থাকে। তারা অনেক সময় অতিরিক্ত মজুরি ধরে রাখে। গহনা কেনার সময় মেকিং চার্জ বা ভরি প্রতি মজুরি নিয়ে অবশ্যই দরদাম করবেন।
-
ডিজিটাল মিটারে ওজন যাচাই: দোকানদারের ডিজিটাল মিটারে ওজন মাপার পর নিজের চোখে রিডিং দেখে নিন এবং মেমোতে থাকা ওজনের সাথে তা মিলিয়ে নিন। প্রয়োজনে অন্য একটি মিটারে পুনরায় মেপে নিশ্চিত হন।
-
পাথর ও এনামেলের ওজন বাদ দিন: গহনায় যদি কোনো দামি পাথর, মুক্তো বা ভারী মিনা (Enamel) করা থাকে, তবে কেনার সময় পাথরের ওজন বাদ দিয়ে শুধু খাঁটি স্বর্ণের ওজন হিসাব করতে বলুন। কারণ সোনা বিক্রির সময় দোকানদাররা পাথরের কোনো দাম দেবে না।
-
স্বর্ণের রং পরীক্ষা করুন: খাঁটি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের রং হবে উজ্জ্বল সোনালী হলুদ। যদি রঙে অতিরিক্ত লালচে বা তামাটে ভাব থাকে, তবে বুঝতে হবে এতে তামার মিশ্রণ বেশি রয়েছে।
-
অনলাইন কেনাকাটায় সতর্কতা: আজকাল ফেসবুক বা বিভিন্ন অনলাইন পেজে স্বর্ণের গহনা বিক্রি হয়। খুব বিশ্বস্ত এবং ফিজিক্যাল শোরুম না থাকলে অনলাইন থেকে স্বর্ণের মতো মূল্যবান জিনিস কেনা থেকে বিরত থাকুন।
-
স্বর্ণের বাই-ব্যাক পলিসি (Buy-Back Policy): কেনার সময়ই দোকানদারের কাছ থেকে জেনে নিন যে ভবিষ্যতে এই গহনাটি তাদের কাছেই বিক্রি বা পরিবর্তন (Exchange) করতে গেলে তারা কত শতাংশ টাকা কাটবে।
-
নিবন্ধিত শপ থেকে কিনুন: বাজুস (BAJUS) নিবন্ধিত এবং সুপরিচিত ব্র্যান্ডের জুয়েলারি শপ থেকে সোনা কেনা সবচেয়ে নিরাপদ, কারণ তারা তাদের ব্র্যান্ড ভ্যালু ও মানের ব্যাপারে আপস করে না।
বাজুসের অফশিয়াল ওইয়েবসাইট থেকে বিভিন্ন ক্যারেটের আজকের সোনার দাম/ রুপার দাম ও পূর্বের গোল্ডরেট জানতে ফলো করুন নিচের তালিকাটিঃ
আজকের স্বর্ণের দাম কত বাংলাদেশে নিয়ে কিছু প্রশ্নের উত্তর (FAQs)
২২ ক্যারট ও ২১ ক্যারট স্বর্ণের মধ্যে পার্থক্য কী?
প্রধান পার্থক্যটি হলো স্বর্ণের বিশুদ্ধতায়। ২২ ক্যারট স্বর্ণে ৯১.৬% বিশুদ্ধ সোনা থাকে এবং বাকি অংশ অন্য ধাতু মিশ্রিত থাকে। আর ২১ ক্যারট স্বর্ণে বিশুদ্ধ সোনার পরিমাণ ৮৭.৫%। ২২ ক্যারটের সোনা বেশি উজ্জ্বল ও মূল্যবান হয়।
গহনা কেনার সময় এই দামের বাইরে আর কী খরচ দিতে হয়?
BAJUS-এর নিয়ম অনুযায়ী ওপরের তালিকায় ভ্যাট যুক্ত করা থাকলেও, গহনা কেনার সময় আপনাকে অতিরিক্ত মেকিং চার্জ বা মজুরি দিতে হবে। গহনার ডিজাইন বা কারুকাজের ওপর ভিত্তি করে প্রতি ভরিতে মজুরি ভিন্ন হতে পারে (সাধারণত ন্যূনতম ৩,০০০ থেকে ৬,০০০ টাকা বা তার বেশি)।
সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ বলতে কী বোঝায়?
পুরোনো আমলের বা রি-সাইকেল করা সোনা, যার বিশুদ্ধতার কোনো সুনির্দিষ্ট সিল বা হলমার্ক থাকে না, তাকে সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ বলা হয়। এতে সোনার সঠিক অনুপাত নিশ্চিত করা কঠিন, তাই এর বাজারমূল্য আধুনিক ক্যারট পদ্ধতির চেয়ে বেশ কম থাকে।
কোন সোনার দাম সবচেয়ে বেশি?
24 ক্যারেট স্বর্ণের দাম সবচেয়ে বেশি হিসেবে ধরা হয়।
কত গ্রামে কত ভরি স্বর্ণ?
আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ১ ভরি = ১১.৬৬ গ্রাম (প্রায়)।
আশাকরি, বাংলাদেশে বিভিন্ন প্রকার স্বর্ণ সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য এখান থেকে জানতে পেরেছেন। আজকের গোল্ড রেট, অথবা আজকের স্বর্ণের দাম কত বাংলাদেশে, সেই সম্পর্কিত যত তথ্য ছিল কিংবা আজকের স্বর্ণের রেট নিয়ে যে সমস্ত প্রশ্ন-উত্তর আপনার জানার প্রয়োজন ছিল, তার সমস্তটাই আছে এই আর্টিকেলে। এখন আপনি যদি সোনা ক্রয় করতে চান সে ক্ষেত্রে উপরের যাবতীয় তথ্য ও নিয়ম মেনে সোনা ক্রয় করতে পারেন। এসব নিয়ম মানলেই সোনা ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে আপনার আর কোন ভয় নেই ।
এছাড়াও জেনে নিন:
আশাকরি, স্বর্ণ সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য আপনারা এই আর্টিকেল থেকে জেনে নিতে পেরেছেন এবং একই সাথে জেনে নিতে পেরেছেন, আজকের স্বর্ণের দাম বাংলাদেশে কত টাকা?